বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশের পরিবার কাঠামো ও সামাজিকীকরণ

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্রী তিথি প্রতিদিন সন্ধ্যায় টেলিভিশনে ‘কৃষি সমাচার’ ও বিজ্ঞানবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে। এসব অনুষ্ঠান থেকে সে তার কৃষক চাচাকে ফসলের নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দেয়। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে সে মোবাইলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছে। এতে তার পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার সময়ও কমে এসেছে।

  1. ক)

    গণমাধ্যম কী?

    (1)
  2. খ)

    বেতার ব্যক্তির জীবনকে প্রভাবিত করে — ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রথম অংশে উল্লিখিত গণমাধ্যমটি তিথির সামাজিকীকরণে কীভাবে ভূমিকা রাখছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের শেষ অংশে তিথির যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে তা সমাধানে তোমার সুপারিশ উপস্থাপন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর বৃহৎ জনগোষ্ঠীর নিকট সংবাদ, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির বিষয়বস্তু, বিশেষ ধ্যান-ধারণা ও বিনোদন পরিবেশন করার মাধ্যমকে গণমাধ্যম বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর বেতারের মাধ্যমে আমরা সংবাদ, গান-বাজনা, নাটক, শিক্ষামূলক আলোচনা, কথিকা, খেলাধুলা ও আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে পারি। এসব অনুষ্ঠান আমাদের শিক্ষা ও আনন্দ দুই-ই দান করে। বেতারের মাধ্যমে মানুষ সমাজ ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়। এভাবে বেতার ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের প্রথম অংশে উল্লিখিত গণমাধ্যমটি হলো টেলিভিশন।

    টেলিভিশনে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ব্যক্তির জীবনে প্রভাব ফেলে এবং তার সচেতনতা বাড়ায়। তিথি ‘কৃষি সমাচার’ ও বিজ্ঞানবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে নতুন জ্ঞান অর্জন করছে। এর ফলে সে বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠছে এবং সেই জ্ঞান ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগিয়ে চাচাকে পরামর্শ দিচ্ছে। এতে বোঝা যায়, টেলিভিশন তার জ্ঞান ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের শেষ অংশে তিথির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মোবাইলে আসক্তির সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে তার পড়াশোনা ও পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে নিচের সুপারিশগুলো করা যায়।

    ১. সীমিত মোবাইল ব্যবহার: প্রতিদিন মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করতে হবে।
    ২. অভিভাবকের সচেতনতা: বাবা-মাকে সন্তানের মোবাইল ব্যবহারের ধরন লক্ষ করতে হবে এবং শাসনের বদলে বন্ধুসুলভভাবে বোঝাতে হবে।
    ৩. পরিবারে সময় দেওয়া: একসাথে খাওয়া ও গল্পের মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করা প্রয়োজন।
    ৪. বিকল্প কার্যক্রম: খেলাধুলা, বই পড়া ও স্থানীয় ক্লাবের কর্মকাণ্ডে তিথিকে যুক্ত করতে হবে।
    ৫. ইতিবাচক ব্যবহার: তিথি যেমন টেলিভিশন থেকে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান দেখে, তেমনি শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু দেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।
    ৬. বিদ্যালয়ের ভূমিকা: শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে মোবাইল আসক্তির কুফল নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

    এসব পদক্ষেপ নিলে তিথি মোবাইলের আসক্তি থেকে মুক্ত হয়ে গণমাধ্যমের ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগাতে পারবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও