তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন
রাজশাহীর তানিয়া ঈদে ঢাকা যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট কিনতে চায়। তার বড় ভাই বলল, ‘আগে স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনতে হতো, তুই বাড়িতে বসেই কিনে ফেল।’ তানিয়া মোবাইল ফোনে টিকিট কিনে ফেলল। একই দিনে তার প্রতিবেশী রশীদ সাহেব স্টেশনে গিয়ে টিকিট কেটে ঘণ্টাখানেক সময় নষ্ট করলেন এবং বাড়ি ফিরে অভিযোগ করলেন, তাঁর অনেক টাকার যাতায়াত খরচ হয়েছে।
- ক)(1)
ই-সার্ভিস বলতে কী বোঝায়?
- খ)(2)
ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর আগে সেবা পেতে সেবাগ্রহীতাকে কী করতে হতো? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের তানিয়া যে ধরনের সেবা গ্রহণ করেছে তার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তানিয়া ও রশীদ সাহেবের সেবা গ্রহণের পদ্ধতি দুটির মধ্যে কোনটি অধিক সুবিধাজনক? তুলনামূলক যাচাই করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে সরকারি বা বেসরকারি সেবা গ্রহণ করাকে ই-সার্ভিস বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর আগে সেবাগ্রহীতাকে সেবাদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হতো। যেমন ট্রেনের টিকিট কিনতে স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হতো, জমির দলিলের নকল পেতে সংশ্লিষ্ট অফিসে যেতে হতো। এতে অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হতো এবং ভোগান্তি পোহাতে হতো।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর তানিয়া মোবাইল ফোনে ট্রেনের টিকিট কিনেছে, যা ই-সার্ভিসের উদাহরণ। এ ধরনের সেবার বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো। ১. সেবাগ্রহীতা নিজ বাড়িতে বসেই মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটে সেবা নিতে পারে, সেবাদাতার কাছে সরাসরি যেতে হয় না। ২. সেবা পেতে কম সময় লাগে, লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হয় না। ৩. যাতায়াত খরচ বাঁচে। ৪. সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের সংস্থার সেবাই এভাবে পাওয়া সম্ভব। ফলে সেবা গ্রহণ সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে তানিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে এবং রশীদ সাহেব প্রচলিত পদ্ধতিতে টিকিট কিনেছেন। আমার মতে, তানিয়ার পদ্ধতি অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতি অধিক সুবিধাজনক। ১. সময়: তানিয়া বাড়িতে বসেই অল্প সময়ে টিকিট কিনেছে। রশীদ সাহেবকে স্টেশনে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় এক ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়েছে। ২. খরচ: তানিয়ার যাতায়াত খরচ হয়নি। রশীদ সাহেবকে স্টেশনে যাওয়া-আসায় অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ৩. ভোগান্তি: ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেবাগ্রহীতা সুবিধাজনক সময়ে ও স্থানে সেবা নিতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিতে সেবাদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হয় বলে ভোগান্তি বেশি। ৪. অন্যদিকে প্রচলিত পদ্ধতিতে ইন্টারনেট বা মোবাইল ব্যবহারের দক্ষতা লাগে না, তবে সময় ও ব্যয়ের বিবেচনায় তা পিছিয়ে। সুতরাং সময়, খরচ ও সুবিধার বিচারে তানিয়ার ডিজিটাল পদ্ধতিই অধিক সুবিধাজনক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও