ভূগোল ২য় পত্র • বাণিজ্য

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে ‘ক’ দেশটি বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক দেশ। দেশটি ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও লৌহ-ইস্পাত শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি করে। এশিয়া-প্যাসিফিক মুক্ত বাজার চুক্তির মাধ্যমে ‘ক’ বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ করে দিয়েছে। অপরদিকে ‘খ’ একটি ইউরোপীয় সংস্থা, যার সদরদপ্তর জেনেভায়।

  1. ক)

    EFTA-এর পূর্ণরূপ লেখো।

    (1)
  2. খ)

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংঘটিত হওয়ার কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক সম্পদের বিভিন্নতাকে কেন বিবেচনা করা হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ‘ক’ দেশটি কোন দেশ? এর রপ্তানি বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘ক’ দেশের বাণিজ্য সম্পর্কের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর EFTA-এর পূর্ণরূপ হলো European Free Trade Association (ইউরোপীয় অবাধ বাণিজ্য সংস্থা)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর পৃথিবীর সব অঞ্চলে সব ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ সমানভাবে পাওয়া যায় না। কোনো দেশে খনিজ বেশি, কোনো দেশে কৃষিজ সম্পদ বেশি। যে দেশে যে সম্পদ কম, সে অন্য দেশ থেকে তা আমদানি করে। আবার উদ্বৃত্ত সম্পদ বা তা থেকে তৈরি পণ্য রপ্তানি করে। এভাবে সম্পদের বিভিন্নতাই দেশগুলোকে বাণিজ্যে যুক্ত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ‘ক’ দেশটি চীন।

    ২০১৭ সালে চীন বিশ্বের সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক দেশ ছিল। দেশটির রপ্তানির বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: প্রথমত, চীন ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও লৌহ-ইস্পাত শিল্পজাত দ্রব্য প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি করে। দ্বিতীয়ত, লৌহ ও ইস্পাত শিল্পের দ্রব্য চীন দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির মতো দেশে রপ্তানি করে। তৃতীয়ত, বিশাল শিল্প কাঠামোর কারণে দেশটি শিল্পজাত পণ্যে বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। এসব রপ্তানির মাধ্যমে চীন প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ‘ক’ দেশ চীন বাংলাদেশের একটি বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই সম্পর্কের গুরুত্ব বহুমুখী।

    ১. শুল্কমুক্ত সুবিধা: উদ্দীপকে বলা হয়েছে এশিয়া-প্যাসিফিক মুক্ত বাজার চুক্তি সই করে চীন বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশি পণ্য চীনের বাজারে বিনা শুল্কে ঢুকতে পারে, ফলে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ে।

    ২. অনুপাদিত দ্রব্য সংগ্রহ: বাংলাদেশ চীন থেকে রাসায়নিক পদার্থ ও দ্রব্য, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে। এগুলোর অনেকই দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদিত হয় না, ফলে ভোগ ও শিল্প উৎপাদন সহজ হয়।

    ৩. অর্থনৈতিক সহায়তা: চীন বাংলাদেশকে শুধু বাণিজ্যিক সুবিধাই নয়, অর্থনৈতিক সাহায্যও দিচ্ছে। এতে অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে যায়।

    ৪. সংশ্লিষ্ট সীমাবদ্ধতা: তবে চীন থেকে আমদানিকৃত কম দামের পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ও খেলনা এবং ক্ষতিকর ও বিলাস সামগ্রী দেশীয় শিল্পের বিকাশে অন্তরায় সৃষ্টি করে, যা বাংলাদেশের জন্য অসুবিধা।

    সুতরাং চীনের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও দেশীয় শিল্প রক্ষার দিকে নজর রেখে এ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও