তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন

আরিফ নবম শ্রেণির ছাত্র। সে তিনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পর্যবেক্ষণ করে নিচের তথ্য সংগ্রহ করেছে।

মাধ্যমবৈশিষ্ট্য
Aসর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তায় মনোভাব প্রকাশ করা যায়; অন্যকে অনুসরণ করা যায়
Bছবি ও ভিডিও শেয়ার, রিল ও হ্যাশট্যাগের সুবিধা; ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ব্যবহৃত হয়
Cচাকরি খোঁজা ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়

আরিফের বড় ভাই রনি সদ্য পাস করা একজন গ্রাফিক ডিজাইনার। সে নিজের ডিজাইনের কাজ প্রচার করতে এবং একটি ভালো চাকরি পেতে চায়।

  1. ক)

    ফেসবুক কত সালে চালু হয়?

    (1)
  2. খ)

    টুইটারকে মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের A মাধ্যমটির সাথে ফেসবুকের মৌলিক পার্থক্য কী? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    রনির উদ্দেশ্য পূরণে উদ্দীপকের B ও C মাধ্যমের মধ্যে কোনটি কীভাবে সহায়ক হবে? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ফেসবুক ২০০৪ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি চালু হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর টুইটারে ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ করতে হয়। এই ২৮০ অক্ষরের ছোট বার্তাকে বলা হয় টুইট। ব্লগে সাধারণত দীর্ঘ লেখা প্রকাশ করা হয়, কিন্তু টুইটারে অতি সংক্ষিপ্ত বার্তায় ভাব প্রকাশ করা হয়। তাই টুইটারকে মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের A মাধ্যমটি হলো টুইটার, কারণ এতে সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরে বার্তা দেওয়া যায় এবং অন্যকে অনুসরণ করা যায়।

    টুইটারের সাথে ফেসবুকের মৌলিক পার্থক্য হলো বার্তা প্রকাশের ধরনে। ফেসবুকে ব্যবহারকারী বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ, ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ এবং অডিও-ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য পেজ ও সমমনা বন্ধুদের জন্য গ্রুপ খোলা যায়। অন্যদিকে টুইটারে ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের মধ্যে মনোভাব প্রকাশ ও আদান-প্রদান করতে হয়। কাউকে অনুসরণ (follow) করলে তার টুইট পড়া যায় এবং অনুসরণকারীদের বলা হয় follower। তাই টুইটার সংক্ষিপ্ত বার্তার মাধ্যম, আর ফেসবুক তুলনামূলক বিস্তৃত যোগাযোগের মাধ্যম।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের B মাধ্যমটি হলো ইনস্টাগ্রাম এবং C মাধ্যমটি হলো লিংকডইন। রনির দুটি উদ্দেশ্য আছে: নিজের ডিজাইনের কাজ প্রচার করা এবং ভালো চাকরি পাওয়া।

    ১. কাজ প্রচারে B (ইনস্টাগ্রাম): ইনস্টাগ্রামে মূলত ছবি ও ভিডিও শেয়ার করা হয়। রনি তার ডিজাইনগুলো ছবি আকারে পোস্ট করতে পারবে এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আগ্রহী মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে। রিল ও কেনাকাটার সুযোগ থাকায় এটি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত। তাই ডিজাইন প্রচারে এটি সহায়ক।

    ২. চাকরিতে C (লিংকডইন): লিংকডইন বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেশাদার সামাজিক মাধ্যম, যা চাকরি খোঁজা, পেশাগত যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গঠনে ব্যবহৃত হয়। রনি এখানে তার কর্মদক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নিয়োগকর্তাদের নজরে আসতে পারবে।

    সুতরাং, কাজ প্রচারের জন্য B এবং চাকরি পাওয়ার জন্য C উপযোগী। রনির দুটি উদ্দেশ্যই পূরণ করতে হলে দুটি মাধ্যমই ব্যবহার করা ভালো, তবে চাকরির ক্ষেত্রে C অধিক কার্যকর।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও