বাংলা ১ম পত্র • উদ্যম ও পরিশ্রম

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

মিজান এসএসসি পাস করে দুই বছর ধরে বেকার। সে সবাইকে বলে বেড়ায়, ‘আমার কপালটাই খারাপ, যেখানে হাত দিই সেখানেই ব্যর্থতা।’ সে কোনো কাজের চেষ্টাও করে না, আবার ছোটোখাটো কাজকে ‘নিচু কাজ’ বলে অবজ্ঞা করে। তার প্রতিবেশী রহিম মিয়া পড়ালেখা শেষ না করেও পুরোনো মোবাইল মেরামতের একটি ছোটো দোকান দিয়ে মাসে ভালো আয় করে। রহিম মিয়া বলে, ‘কাজে লজ্জা নেই, লজ্জা অলসতায়।’

  1. ক)

    ড. জনসনের বন্ধু তাঁকে কী পাঠিয়েছিলেন?

    (1)
  2. খ)

    “সিংহ হয়েও ঘুমিয়ে থাকলে কী লাভ?”—লেখক কেন এ কথা বলেছেন?

    (2)
  3. গ)

    মিজানের ব্যর্থতার কারণ ‘উদ্যম ও পরিশ্রম’ প্রবন্ধ অনুসারে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    মিজানের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ‘উদ্যম ও পরিশ্রম’ প্রবন্ধ থেকে কী কী পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে, তা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ড. জনসনের এক বন্ধু তাঁকে এক জোড়া জুতো পাঠিয়েছিলেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর সিংহ শক্তি ও সামর্থ্যের প্রতীক। কিন্তু সিংহ যদি ঘুমিয়েই থাকে, তার শক্তি কোনো কাজে আসে না। লেখক এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন, গুণ বা সামর্থ্য থাকলেও চেষ্টা না করলে জগতে প্রতিষ্ঠা লাভ করা যায় না। তাই নিজের সামর্থ্যকে জাগিয়ে তুলে কাজে লাগানোর তাগিদ দিতে তিনি এ কথা বলেছেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর প্রবন্ধ অনুসারে মিজানের ব্যর্থতার কারণ তার নিজের অমনোযোগ ও কুঁড়েমি। লেখক বলেছেন, অনেকে বলে তাদের জন্য কোনো কাজ নেই এবং তারা যেদিকেই হাঁটুক শুধু ব্যর্থতা। এ কথা মূর্খরাই বলে, কারণ তাদের ব্যর্থতার জন্য তারা নিজেরাই দায়ী। উদ্দীপকে মিজান নিজের ব্যর্থতার জন্য ভাগ্যকে দোষ দেয়, অথচ কোনো কাজের চেষ্টাই করে না। সে ছোটো কাজকে নিচু মনে করে অবজ্ঞাও করে। লেখকের মতে এই নৈরাশ্যের হা-হুতাশ আত্মপ্রত্যয়হীনতা ও উদ্যমের অভাব থেকেই জন্মায়। তাই মিজানের ব্যর্থতার মূলে রয়েছে তার নিজের অলসতা ও ভ্রান্ত মনোভাব।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মিজানের উত্তরণের জন্য প্রবন্ধের আলোকে নিচের পরামর্শগুলো দেওয়া যেতে পারে। ১. ভাগ্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করা: লেখক বলেছেন, ব্যর্থতার জন্য মানুষ নিজেই দায়ী। মিজানকে আত্মসমালোচনা করে নিজের অলসতা চিনতে হবে। ২. কাজকে ছোটো না ভাবা: লেখক বলেছেন, কাজে মানুষের জাত যায় না। প্লেটো তেল বেচে পথের খরচ জোগাড় করতেন, তাতে তাঁর মর্যাদা কমেনি। তাই ছোটো কাজকে মিজানের অবজ্ঞা করা উচিত নয়। ৩. রহিম মিয়ার দৃষ্টান্ত অনুসরণ: লেখক কারিগর ও শ্রমজীবীদের শ্রদ্ধার চোখে দেখতে বলেছেন। রহিম মিয়ার মতো দক্ষতা অর্জন করে স্বাধীন কাজ শুরু করলে মিজানও আয় করতে পারবে। ৪. অধ্যবসায়ী হওয়া: ড. জনসন অভাব ও কষ্টে হতাশ না হয়ে চেষ্টার জোরে কীর্তি রেখে গেছেন। মিজানকেও হতাশা ছেড়ে নিরন্তর চেষ্টা করতে হবে। এভাবে উদ্যম ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজে নামলে মিজানের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও