বাংলা ১ম পত্র • আমার দেশ

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

আশ্বিন মাসের সকালবেলা। রহিমপুর গ্রামের মাঠজুড়ে সোনালি ধান পেকে আছে, নির্মল আকাশে রোদ ঝলমল করছে, আর নদীর পাড়ে কাশফুল দুলছে। কৃষক জব্বার মিয়া তাঁর ছেলে সুমনকে নিয়ে মাঠের আলে দাঁড়িয়ে বললেন, “এই মাটিই আমাদের অন্ন দেয়, এই মাটিতেই আমাদের বেঁচে থাকার আশা।” সুমন বাবার কথা শুনে মাটির দিকে তাকিয়ে রইল।

  1. ক)

    ‘আমার দেশ’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?

    (1)
  2. খ)

    “আমার দেশের মাটিতে মেশানো আমার প্রাণের ঘ্রাণ”—বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের জব্বার মিয়ার বক্তব্যে ‘আমার দেশ’ কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকে ‘আমার দেশ’ কবিতার সমগ্র ভাব নয়, কেবল একটি অংশের প্রকাশ ঘটেছে।”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ‘আমার দেশ’ কবিতাটি সুফিয়া কামালের ‘উদাত্ত পৃথিবী’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কবি দেশের মাটির সঙ্গে নিজের প্রাণের গভীর একাত্মতার কথা এখানে বলেছেন। এ দেশের মাটিতেই তাঁর জন্ম, এখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা, তাই মাটির গন্ধ আর তাঁর প্রাণের অনুভূতি এক হয়ে মিশে আছে। দেশের মাটির প্রতি এই নিবিড় টান ও ভালোবাসাই চরণটির মূল ভাব। এর মাধ্যমে কবি দেশপ্রেমকেই প্রকাশ করেছেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের জব্বার মিয়ার বক্তব্যে ‘আমার দেশ’ কবিতার দেশের মাটির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মাটিনির্ভর জীবনের দিকটি ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে শরতের নির্মল আকাশের নিচে মাঠভরা পাকা ধান এবং কৃষকের মুখে মাটির কাছে বেঁচে থাকার আশার কথা আছে। কবিতায়ও কবি শরতের আকাশ, মাঠভরা ধান্যশীর্ষ ও মৌসুমী ফুলের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ দেশের মাটিতেই তাঁর প্রাণ প্রতিদিন নতুন জীবনের সন্ধান পায়। জব্বার মিয়ার ‘এই মাটিতেই বেঁচে থাকার আশা’ কথাটি কবির সেই অনুভূতিরই প্রতিধ্বনি। সুতরাং মাটি ও প্রকৃতির সঙ্গে জীবনের নিবিড় সম্পর্কের দিকটিই উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকে শরতের প্রকৃতি, ফসলে ভরা মাঠ এবং মাটির প্রতি কৃষকের নির্ভরতা ও আশার কথা আছে। এটি ‘আমার দেশ’ কবিতার প্রথম দিকের অংশের সঙ্গে মেলে, যেখানে সূর্যালোক, মৌসুমী ফুল ও মাঠভরা ধানের চিত্র রয়েছে। কিন্তু কবিতার বিষয়বস্তু আরও বিস্তৃত। ১. দুর্যোগ ও নতুন জীবন: কবিতায় প্লাবনে নূহের কিশতি ভাসার কথা আছে, নতুন চর জাগার কথা আছে এবং সেখানে মানুষ আবার পাশাপাশি ঘর বাঁধে। উদ্দীপকে এ দিকটি নেই। ২. মানুষে মানুষে মিলন: কবিতায় নদী যেমন সাগরে মেশে, মানুষও তেমনি প্রাণে প্রাণে মিলে যায়; আর্ত-ব্যথিতের পাশে দাঁড়ানো, সেবা-সাম্য-প্রীতির কথা আছে। উদ্দীপকে সম্প্রীতির কোনো ইঙ্গিত নেই। ৩. ভাষার প্রতি ভালোবাসা: কবি দেশের মাটির সঙ্গে ‘মধুর আমার ভাষা’-র কথাও বলেছেন, উদ্দীপকে তা অনুপস্থিত। সুতরাং উদ্দীপক কেবল মাটি ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার অংশটুকু ধারণ করে; কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও