তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন
একটি কম্পিউটার ল্যাবে প্রিন্টারকে কম্পিউটারের সাথে ৮টি ডেটা লাইনবিশিষ্ট ক্যাবল দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে। ক্লকের প্রতিটি পালসে প্রতিটি লাইন দিয়ে ১ বিট করে একসাথে স্থানান্তরিত হয় এবং ক্লকের কম্পাঙ্ক । ল্যাবের পেনড্রাইভ কম্পিউটারের USB পোর্টে যুক্ত করা হয়। ল্যাব থেকে ৫০ মিটার দূরের অন্য ভবনের কম্পিউটারে ডেটা পাঠানোর জন্য ল্যাবের প্রধান একটিমাত্র তারবিশিষ্ট ক্যাবল ব্যবহারের কথা ভাবছেন। ধরো, ।
- ক)(1)
বিট সিনক্রোনাইজেশন কী?
- খ)(2)
সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশনে প্রেরক ও গ্রাহক উভয় ডিভাইসে ক্লক ব্যবহার করতে হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের প্রিন্টারে আকারের একটি ফাইল পাঠাতে কত সময় লাগবে নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
৫০ মিটার দূরের ভবনে ডেটা পাঠানোর জন্য ল্যাবপ্রধানের একটি তারের ক্যাবল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক? ঐ ফাইলটি পাঠানোর সময় গণনাসহ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ক্লক ব্যবহার করে বিটের শুরু ও শেষ বোঝার জন্য যে বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়, তাকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে। এর ফলে প্রাপক সিগন্যাল থেকে ডেটা শনাক্ত ও পুনরুদ্ধার করতে পারে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর সিরিয়াল ট্রান্সমিশনে একটি মাধ্যম দিয়ে একটির পর একটি বিট পাঠানো হয়। প্রেরক যে সময় ডেটা পাঠাবে, গ্রাহককে ঠিক সেই সময়ই তা গ্রহণ করতে হয়। এজন্য প্রেরক ও গ্রাহকের ক্লক একই রকম থাকতে হয়। ক্লকের প্রতি পালসে একটি করে বিট প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। দুই প্রান্তে ক্লক না থাকলে বিটের শুরু ও শেষ বোঝা যেত না এবং ডেটা সঠিকভাবে গ্রহণ করা যেত না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ক্লকের কম্পাঙ্ক পালস/সেকেন্ড।
প্রতি পালসে ৮টি লাইন দিয়ে ৮ বিট যায়।
সুতরাং ডেটা স্থানান্তরের হার ।
ফাইলের আকার ।
সময় সেকেন্ড।
অতএব, ফাইলটি প্রিন্টারে পাঠাতে ৩ সেকেন্ড সময় লাগবে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর ল্যাবপ্রধান সিরিয়াল ট্রান্সমিশনের কথা ভাবছেন, কারণ এতে একটিমাত্র তার ব্যবহৃত হয়।
সময়ের গণনা: একই ক্লকে (২ MHz) একটি লাইনে প্রতি সেকেন্ডে বিট যায়, অর্থাৎ হার ।
ফাইল ।
সময় সেকেন্ড।
অর্থাৎ প্যারালাল পদ্ধতিতে (৩ সেকেন্ড) সময় কম লাগলেও সিরিয়াল পদ্ধতিতে ২৪ সেকেন্ড, অর্থাৎ ৮ গুণ সময় লাগে।বিশ্লেষণ:
১. প্যারালাল ট্রান্সমিশনে অনেক ডেটা লাইন ও কন্ট্রোল লাইন লাগে। ৫০ মিটার দীর্ঘ ক্যাবলের ব্যয় অনেক বেশি হবে এবং এটি বাস্তবসম্মত নয়, কারণ অনেক দূরে ডেটা পাঠাতে প্যারালাল পদ্ধতি উপযোগী নয়।
২. সিরিয়াল ট্রান্সমিশনে একটি মাত্র তার লাগে, ফলে যন্ত্রপাতি সহজ ও সাশ্রয়ী এবং তারগুলোর নিজেদের মধ্যে নয়েজের প্রভাব কম। এটি যেকোনো দূরত্বে নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে।
৩. ২৪ সেকেন্ড সময় একটি ফাইলের জন্য গ্রহণযোগ্য, আর USB-এর মতো সিরিয়াল পদ্ধতি এখন সর্বত্র ব্যবহৃত হয়।সিদ্ধান্ত: গতি কিছু কম হলেও দূরত্ব, খরচ ও নির্ভরযোগ্যতা বিবেচনায় ৫০ মিটার দূরের জন্য ল্যাবপ্রধানের সিরিয়াল ক্যাবল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও