ভূগোল ২য় পত্র • বাণিজ্য

ভূগোল ২য় পত্র প্রশ্ন

তানভীর একটি জাপানি সংস্থার সহায়তায় ঢাকা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে কাজ করছে। সে জানতে পারে, ১৯৭২ সালেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক শুরু হয়েছিল। সংস্থাটি নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তা দিচ্ছে। তানভীরের বন্ধু রিয়া চিংড়ি ও চামড়ার জুতা রপ্তানির ব্যবসা করে এবং তার বড় ক্রেতা জাপান।

  1. ক)

    জাইকা (JICA) কোন দেশের উন্নয়ন সংস্থা?

    (1)
  2. খ)

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল ভিত্তি কী? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে বাংলাদেশ ও জাপানের বাণিজ্য সম্পর্কের ফলে বাংলাদেশ কী সুবিধা পাচ্ছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ‘বৈদেশিক বাণিজ্য শুধু পণ্য বিনিময় নয়, সামগ্রিক উন্নয়নের সহায়ক’—বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর জাইকা (JICA) জাপানের উন্নয়ন সংস্থা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর আন্তর্জাতিক শ্রম বিভাগ ও ভৌগোলিক বিশেষীকরণই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল ভিত্তি। প্রাকৃতিক সম্পদ ও আবহাওয়ার ভিন্নতার কারণে বিভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন পণ্য উৎপাদনে বিশেষত্ব অর্জন করে। কোনো দেশই সব পণ্য উৎপাদন করতে পারে না। তাই পারস্পরিক চাহিদা মেটাতে দেশগুলো পণ্য আদান-প্রদান করে এবং বাণিজ্য গড়ে ওঠে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকে বাংলাদেশ ও জাপানের বাণিজ্য সম্পর্কের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও রপ্তানি বাজারের সুবিধা পাচ্ছে।

    জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সুসম্পর্কের কারণে জাপানের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে অর্থনৈতিক সহযোগিতা করে। উদ্দীপকে জাইকার মতো সংস্থা ঢাকার নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তা করছে, যা পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক। এছাড়া জাপান বাংলাদেশ থেকে চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক ও চিংড়ি আমদানি করে। ফলে রিয়ার মতো রপ্তানিকারকেরা ব্যবসার সুযোগ ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ পান।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উক্তিটি যথার্থ। বৈদেশিক বাণিজ্যের ফলে দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক পণ্য বিনিময়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে সামগ্রিক উন্নয়নে প্রভাব ফেলে। উদ্দীপক ও পাঠ্যবইয়ের আলোকে এর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো।

    ১. অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি: বাংলাদেশে মূলধনী দ্রব্য, দক্ষ কারিগর ও উন্নত প্রযুক্তির অভাব রয়েছে। জাপানের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় সরকারি ও বেসরকারি জাপানি প্রতিষ্ঠান এসব ক্ষেত্রে সহায়তা করে। উন্নত দেশ থেকে প্রযুক্তি আমদানি করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

    ২. সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়ন: উদ্দীপকে জাইকার নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তা ঢাকার পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। এটি বাণিজ্য সম্পর্কেরই ফল।

    ৩. রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থান: জাপানে চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক ও চিংড়ি রপ্তানি হয়। রিয়ার মতো ব্যবসায়ীরা এতে আয় করেন এবং কারখানা ও চাষে কর্মসংস্থান তৈরি হয়।

    ৪. আন্তর্জাতিক সৌহার্দ্য: বাণিজ্যের কারণে দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যার ফলে এ ধরনের আর্থিক ও উন্নয়ন সহায়তা পাওয়া সম্ভব হয়।

    সুতরাং বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের আলোকে বলা যায়, বৈদেশিক বাণিজ্য পণ্য বিনিময়ের পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নেও সহায়ক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও