তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি • কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও সাইবার নিরাপত্তা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রশ্ন

নবম শ্রেণির ছাত্র রিয়াদ বিকেলে খেলার মাঠে না গিয়ে প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা কম্পিউটারে গেম খেলে। পরীক্ষার আগের রাতেও সে খেলা বন্ধ করতে পারে না। তার মা কয়েকবার নিষেধ করেছেন, সে জানে এটি ঠিক হচ্ছে না, তবু না খেলে থাকতে পারে না। ইদানীং তার পড়াশোনায় মনোযোগ কমে গেছে এবং পরীক্ষার ফলও খারাপ হচ্ছে।

  1. ক)

    আসক্তি বলতে কী বোঝায়?

    (1)
  2. খ)

    কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে আসক্তি শব্দটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে রিয়াদের আচরণ কম্পিউটার গেমে আসক্তির লক্ষণ বহন করে কি না ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    রিয়াদকে এই আসক্তি থেকে মুক্ত করতে পরিবার ও রিয়াদ নিজে কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কেউ জানে কাজটি করা ঠিক হচ্ছে না, তারপরও সেই কাজটি না করে থাকতে না পারাকে আসক্তি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কম্পিউটার ও ইন্টারনেট একটি ইতিবাচক প্রযুক্তি হলেও প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ব্যবহার করলে মাদকের মতোই আসক্তি তৈরি হতে পারে। কেউ কেউ গেম বা সামাজিক নেটওয়ার্কে এত বেশি সময় দেয় যে ভুল জেনেও তা ছাড়তে পারে না। এতে পড়াশোনা, খেলাধুলা ও পারিবারিক সময়ের ক্ষতি হয়। তাই বাড়াবাড়ি ব্যবহারের এই নেতিবাচক দিক বোঝাতে আসক্তি শব্দটি জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর আসক্তি বলতে বোঝায়, কাজটি ঠিক হচ্ছে না জেনেও তা না করে থাকতে না পারা। উদ্দীপকে রিয়াদ প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা গেম খেলে, যা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। পরীক্ষার আগের রাতেও সে খেলা বন্ধ করতে পারে না এবং মায়ের নিষেধ সত্ত্বেও সে জানে যে এটি ঠিক হচ্ছে না, তবু না খেলে থাকতে পারে না। এ ছাড়া তার পড়াশোনায় মনোযোগ ও পরীক্ষার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এগুলো কম্পিউটার গেমে আসক্তির সুস্পষ্ট লক্ষণ। সুতরাং রিয়াদ কম্পিউটার গেমে আসক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর কম্পিউটার গেমের আসক্তি শুরু হলে তা শরীর, মন ও পড়াশোনার ক্ষতি করে। রিয়াদকে মুক্ত করতে নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে। ১. সময় নির্ধারণ: পরিবার প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে দিলে বাড়াবাড়ি কমবে এবং রিয়াদ পড়ার সময় পাবে। ২. বিকল্প কাজে যুক্ত করা: বিকেলে মাঠে খেলাধুলা, বই পড়া বা বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে গেমের প্রতি টান কমে এবং শরীর সুস্থ থাকে। ৩. অভিভাবকের সচেতনতা: অভিভাবকরা কম্পিউটারকে শুধু ভালো ভেবে অবহেলা না করে সন্তানের ব্যবহার তদারকি করবেন। ৪. মানসিক সহায়তা: ধমক না দিয়ে বুঝিয়ে বললে এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে আসক্তি কাটানো সহজ হয়। ৫. রিয়াদের নিজের সংকল্প: নিজের ক্ষতি বুঝে ধীরে ধীরে খেলার সময় কমিয়ে আনতে হবে। এসব পদক্ষেপ একসাথে নিলে রিয়াদ আসক্তি থেকে মুক্ত হয়ে পড়াশোনায় মনোযোগ ফিরে পাবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও