বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় • বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও ব্যাংকব্যবস্থা

বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় প্রশ্ন

অর্থনীতি ক্লাসে শিক্ষক বোর্ডে সরকারের আয়ের ছয়টি উৎসের নাম লিখলেন।

ক্রমআয়ের উৎস
১আয়কর
২বনের কাঠ ও মধু বিক্রি
৩বাণিজ্য শুল্ক
৪সেতু পারাপারের টোল
৫ভূমি রাজস্ব
৬ডাক বিভাগ
শিক্ষক শিক্ষার্থীদের এগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করতে বললেন।
  1. ক)

    টোল কী?

    (1)
  2. খ)

    ভূমি রাজস্ব খাতে সরকারের আয় কিছুটা কম কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ছক থেকে কর-বহির্ভূত রাজস্বের উৎসগুলো চিহ্নিত করো এবং এর যেকোনো দুটি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ছকে উল্লিখিত কর রাজস্বের উৎসগুলো সরকারের ব্যয় নির্বাহে কীভাবে ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ব্রিজ, সেতু, কালভার্ট, ঘাট, পারাপার, হাটবাজার প্রভৃতি থেকে সেবা বাবদ সরকার যে কর আদায় করে, তাকে টোল বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর ভূমি ভোগ দখলের জন্য সরকারকে প্রদত্ত খাজনাই ভূমি রাজস্ব। বর্তমানে সরকার ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেছে। ফলে দেশের অধিকাংশ জমির মালিককে খাজনা দিতে হয় না। এ কারণে এ খাত থেকে সরকারের আয় তুলনামূলকভাবে কম।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ছকে কর-বহির্ভূত রাজস্বের উৎসগুলো হলো বনের কাঠ ও মধু বিক্রি, সেতু পারাপারের টোল এবং ডাক বিভাগ।
    ব্যাখ্যা:
    ১. বন: বাংলাদেশের বনাঞ্চল থেকে কাঠ, বাঁশ, জ্বালানি, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদ বিক্রি করে সরকার প্রচুর অর্থ আয় করে।
    ২. ডাক বিভাগ: দেশের ডাক বিভাগ সরকার পরিচালনা করে। এর সেবার বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস।
    এসব উৎস থেকে প্রাপ্ত আয় কর নয়, তাই এগুলো কর-বহির্ভূত রাজস্ব।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর উদ্দীপকের ছকে কর রাজস্বের উৎস তিনটি: আয়কর, বাণিজ্য শুল্ক ও ভূমি রাজস্ব। জনকল্যাণ, প্রশাসন পরিচালনা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারের বিপুল ব্যয় এসব উৎস থেকেই বহুলাংশে মেটানো হয়।
    ১. বাণিজ্য শুল্ক: আমদানি-রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর ধার্য এ শুল্ক সরকারের আয়ের প্রধান উৎস। এ আয় দিয়ে প্রতিরক্ষা, প্রশাসনসহ বড় বড় ব্যয়ের খাত চলে।
    ২. আয়কর: একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে আয়ের ওপর প্রগতিশীল হারে আদায় করা হয় বলে এটি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস। এ অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো খাতে ব্যয় করা সম্ভব হয়।
    ৩. ভূমি রাজস্ব: ২৫ বিঘা পর্যন্ত খাজনা মওকুফ থাকায় এ খাতের আয় কম হলেও এটি স্থানীয় পর্যায়ে রাজস্ব আদায়ের ভিত্তি তৈরি করে।
    অতএব, কর রাজস্বের এই উৎসগুলো সরকারের ব্যয়ের প্রধান জোগানদাতা। এগুলো ছাড়া সরকারের পক্ষে নিয়মিত ব্যয় ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো কঠিন হতো।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও